VEON-এর ব্যাংলালিংক আজ মুক্তো পে লঞ্চ করল, যা ৯ হাজার ৫০০ মার্চেন্টে কাজ করবে।
এই লঞ্চটি আসলে আগস্ট ২০২৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাওয়া পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (PSP) লাইসেন্সের ফল। VEON-এর গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ Kaan Terzioglu বলেছেন, সংযোগ কেবল ভিত্তি তৈরি করে, কিন্তু স্থায়ী প্রভাব তখনই আসে যখন সেখানে মানুষের জীবনযাপন ও লেনদেনের উপর ভিত্তি করে সার্ভিস তৈরি করা হয়।
মুক্তো পে-র প্রথম পর্বে সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো অপারেটর নির্বিশেষে যেকোনো মোবাইল ব্যবহারকারী এটি ব্যবহার করতে পারবেন। ব্যাংলালিংকের গ্রাহকরা এমনকি ফিচার ফোনেও টাকা পাঠানো-প্রাপ্তি করতে পারবেন, যা দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও গণবান্ধব করে তুলবে।
৯ হাজার ৫০০ মার্চেন্টের সাথে সংযোগ
প্ল্যাটফর্মটিতে ইতিমধ্যে ৯,৫০০-এরও বেশি মার্চেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এখানে গ্রাহকরা অনলাইনে বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ এবং টাকা পাঠানো-প্রাপ্তি করতে পারবেন।
ব্যবসায়ীদের জন্য একটি আলাদা মার্চেন্ট অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে, যেখানে তারা নিবন্ধন করতে, পেমেন্ট গ্রহণ করতে এবং লেনদেন ট্র্যাক করতে পারবেন।
এটি মূলত বাংলাদেশের জাতীয় ইন্টারঅপারেবল QR পেমেন্ট মানদণ্ড 'বাংলা QR'-এর প্রসারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

২৫ কোটি ডলারের বিনিয়োগের ঘোষণা
মুক্তো পে-র লঞ্চটি VEON-এর 'Invest in Bangladesh NOW' উদ্যোগের একটি অংশ। গত সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে ঘোষিত এই উদ্যোগে VEON প্রাথমিকভাবে ২৫০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়।
এই বিনিয়োগ কয়েক বছরের মধ্যে করা হবে, যা সংযোগ, ডিজিটাল অবকাঠামো, ডিজিটাল আর্থিক সেবা এবং AI-এর উন্নয়নে সহায়তা করবে।
সম্পূর্ণ উদ্যোগের লক্ষ্য বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।

ব্যাংকিং ছাড়াই আর্থিক সেবা
মুক্তো পে মূলত ব্যাংকিং সেবার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। যারা ব্যাংক একাউন্ট রাখেন না, তারাও এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিরাপদে লেনদেন করতে পারবেন।
ফিচার ফোনে পেমেন্টের সুবিধা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলাদেশের অনেক এলাকায় স্মার্টফোনের পৌঁছানো এখনো সীমিত।
এই পদক্ষেপ দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির (financial inclusion) লক্ষ্যকে আরও সামনে এগিয়ে নেবে।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
VEON জানিয়েছে, তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে আরও বেশি সেবা নিয়ে আসছে।
বাংলা QR-এর মাধ্যমে তারা পেমেন্ট প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও দ্রুত করতে চায়।
এই উদ্যোগ বাংলাদেশের টেকনোলজি খাতের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত, যেখানে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন একসাথে চলছে।
আমাদের মতামত
মুক্তো পে-র লঞ্চটি বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্টের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
এটি দেখাচ্ছে যে, আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চায়।
আসুন, আমরা এই নতুন প্ল্যাটফর্মের সুবিধা নিয়ে ডিজিটাল লেনদেনের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করি।
সম্পর্কিত খবর
শাওমি বাংলাদেশে রেডমি ১৭ ৫জি লঞ্চ করেছে, যার দাম ৩১,৯৯৯ টাকা।
স্মার্ট হাই-টেক গাজীপুরে স্মার্টফোন মাদারবোর্ড তৈরির নতুন উদ্যোগ নিয়েছে।
মোবাইল অপারেটররা স্পেকট্রাম খরচ কমানোর দাবি তুলেছে।
Frequently asked questions

Keep subscribing to আরিফ হোসেনHer next filing reaches you the moment it publishes, on her own subdomain.
Subscribe
